চলো একদিন

চলো যাই সেখানে,
নীলিমার নীল রং 
যেখানে কেড়ে নেয় ঘন সবুজ,
যেখানে সবুজ ছাপিয়ে 
দিগন্ত টেনে দেয় কমলা আভা।

চলো যাই সেখানে,
স্বচ্ছ জলের স্থবিরতা 
যেখানে ঠাঁই পায় না জঙলী কুহুতানে।
যেখানে স্নান সেরে মাছগুলোও
মিশে যায় কালচে সবুজের গায়ে।

চলো যাই সেখানে,
চায়ের পাতার রঙে 
যেখানে শরীর ভেজায় মানুষ।
যেখানে নদী প্রবাহিত
পাহাড়ের গা বেয়ে সমতলের দিকে। 

চল একদিন সবাই 
মিলে মিশে একাকার হই
প্রকৃতির নানা রঙে, বহু ঢঙে। 
চলো একদিন আবার
খুঁজে বেড়াই বৈরাজ্ঞের আনন্দ। 


[[কিংশুক২০১৮আগস্ট১১শাহজাহানপুর,ঢাকা০৩৩৫]]



সাদাকালো ধারকী

দেহখানি অনাবাদি টলমলে 
আঁধারের আলোকে অলকের দিক ভ্রম 
জোনাকির ভ্রমণেতে কিবা দেখি চোখমেলে 
ছায়াখানা দুর্বল চঞ্চল প্রেম 

প্রদীপের দিয়াগুলি করিতেছে নৃত্য 
কেবা তুমি? কেবা আমি? কাহাদের ভৃত্য?
পাহাড়ের গাল বেয়ে কপোলের অশ্রু আল্পনা 
নেমে আসে সাগরের নোনা জলে 
                   স্নানরত অমৃতাংশুর মৃত্যুর কল্পনা 

মোম-গলা-আলোতে আবছায়া-অশরীরীর অবয়ব 
মানুষের মানসে – চেত-চিন্তন, অধীরতা,
ত্রাস সঞ্চারি অভিশঙ্কা আর উদ্বেগ বারতা 
মননের মনে কেন এত অভিশঁকা? – বিভাভর শ্বরতুল অনুভব
মিথ্যে সত্যে মিশে কেন সত্য-মিথ্যা ঠিক-ভুলদের কলরব?

দিবসের ফুসরতে ব্যস্ত জীবনেতে 
নেমে আসে সন্ধ্যা এক ঘর হলদেটে আলোতে 
প্রশ্নের সম্মুখে ধুম্রের কল্কিতে 
কুহকের আগুনেতে ছারখার সংগীতে 
গল্পের ঝগড়াটা কবিতায় রূপ নিতে নিতে 
মরে মরাগুলি উদ্ভাবনে রয়েছে যে উত্তর উত্তরেতে 
নিয়তই নিয়তির অপেক্ষাতে। 

[[কিংশুক২০১৮জুলাই৩১ব্র্যাকইউ,সাভার০৩৫৬]]

উৎসর্গ: রজনীর একশো একে বিন্দু টর্চের আলোতে বসে আড্ডা দেয়া কতিপয় দিশেহারা পাগলাটে সাদাকালো মানুষকে। 

শব্দার্থ:
অনাবাদি ― স্থবিরোতাহীন, অমীমাংসিত
অলক ― মাথার চুল বা খোঁপা
অমৃতাংশু ― চাঁদ
মানস- মন
চেত - ভয়
অভিশঙ্কা -  ভয়ের সংশয়
মনন - মন, চিন্তা
অভিশঁকা ― আশঙ্কা , চেতনা
বিভাভর ― বিচ্ছেদ, ভাগ করা
শ্বরতুল্য ― ঐশ্বরিক



আটচল্লিশে আঠারোটি রজনীগন্ধা

বারো টার ঠিক পরে
একশো এক নম্বর ঘরে,
এক কাপ কফি হাতে
ডর্মমেটদের সাথে ―
কখনো দর্শন কখনো গণিতে
কখনো বা ঝালমুড়িতে,
নিশাচর আড্ডা জমে ওঠে
রজনীগন্ধার জ্বলন্ত ঠোঁটে ।

যুক্তির ডালপালা
খুশি খুশি হাসিদের মেলা,
ডুবে যাই 'ডেভ'– 'হামে'
গ্রুপ স্টাডির নামে।
বারান্দাতে রেহান স্যার
এত রাতে আর কাজ নাই তার?
প্রশ্ন জাগে মনের ভেতর ―
আরএস জীবন মানবেতর?

আড়াইটা বেজে গেলে
ডর্ম টিউটর নীচে এলে,
দল বেঁধে ভাই ভাই
একসাথে সেহরিতে যাই।
শেষ রাতের আধারে
ঘুম ঘুম চোখ বাড়ে;
সকালে ক্লাস সবার
ঘুমাও, যদি মিস হয় আবার।

ক্রিং প্রিং আলার্মের খটোমটো
ওঠো ওঠো অন্বেষার ক্লাসে ছোটো,
ক্লাস শেষে সার্কেল, সার্কেল গড়ে উঠে,
কেউ কেউ ব্যস্ত; আনন্দপুরে সুর ছোটে।
বিকালে তো বাস্কেট-ভলি আর ফুটবল,
সন্ধ্যায় স্টাডিতে, দল বেঁধে ল্যাব এ চল,
ডিনারের পর পর ঠিক নয়টা পঞ্চাশে―
হুড়াহুড়ি হুইসেল, চল সব ডর্মের উদ্দেশে।

আবার দিবস শেষ
স্মৃতি আর মূর্ছনার রেশ।
ডর্মের জোনে বসে,
প্ল্যান প্রোগ্রাম কষে;
যার যার রুমে যাও,
বিদায়? দেখা হবে, এটা ফাও!
আবার বারো টার ঠিক পরে
দেখা হবে একশো এক নম্বর ঘরে ।।

[[কিংশুক২০১৮মে২৩ব্র্যাক,সাভার০৫৩৩]]

পদটীকা:
আরএস ৪৮ এ বসে এই কবিতা/ছড়া লেখার সময় কবি মোটেও আনন্দিত ছিলেন না। হাতে গোনা কিছু মানুষ ছাড়া সবাইকেই কবির বিরক্ত লাগতো। আরএস জীবন তার কাছে দুর্বিষহ। এখানে তার মন মোটেই ভালো নাই। দুই তিন বার কাউন্সিলর এর কাছে যাবার ব্যর্থ চেষ্টাও করা হয়েছে। বেচারা মনোবিজ্ঞানীর নিজের মনে অবস্থা ভালো না, নিকট আত্মীয় মারা গেছেন। মনমরা মনোবিজ্ঞানীরা পক্ষে কি কবির মন ভালো করে সম্ভব?

ফিরুনী

ফিরুনী
৲৲৲৲৲৲৲৲৲৲৲৲৲৲
প্রতিটি ব্যস্ত রাত্রে
অথবা পরিশ্রান্ত সূর্যাস্তে
ক্লান্ত সূর্য, হেলে পরা বিকাল বেলায়
কর্মযজ্ঞের উত্তপ্ত দুপুরে
আবার নব প্রভাতের হলদে আলিঙ্গনে
এবং আধার বিদারী আলোর ভোরে
মাঝরাত্তিরে--
অপেক্ষা করি তোমার কণ্ঠস্বরের
যে স্বরে মেশানো থাকে নরম নীলচে আদর
যে আদরে আমি অতলপুরে হারিয়ে যাই
যে আদরে আমি ফিরি কঠিন বাস্তবতায়
সে আদরেই আমার বাস, লুপে ঘোরা শ্বাস
আর আমার বিশ্বাস-
তুমি তোমার কোমল ভালোবাসা নিয়ে
জাজ অথবা মেলোডি তে গীত গেয়ে
বেহালার মূর্ছনায়
ফিরে আসবে অগোচরে
এক এলোমেলো অগোছালো উস্কোখুস্ক
অলস আর কিছু মনে না রাখতে পারা
পাগল-দর্র্শন বালকের হৃদয় কুঠুরিতে
তোমার হৃদয়খানি সযতনে তুলে রাখতে।

আমি প্রতি রাত থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতিটি কর্ম বিরতিতে
চায়ের ধোঁয়ার সাথে
একাকিত্বে অথবা লোকারণ্যএ
অপেক্ষা করি।

[[২০১৭মে১৯শাহজাহানপুর,ঢাকা১৩৩৮]]

Moment

Imagine no one around us 
Only dew drops on the grass 
Sitting on a stone chair 
Nothing but crickets to hear 
We both are face to face 
Relaxed and with peace 
Guarded by a big banyan tree 
We're ready and we're free 
Sky with millions of stars 
Gentle breeze love admires 
No talk and a little walk 
Low toned songs of folk 
With fragrances of dove 
What it is but love? 

[[Kingshuk2018May17BRACU,savar0305]]

খণ্ডিত বাঁশের দীর্ঘশ্বাস: ত্রিশব্দিক কাব্য

বিকেলের ক্লান্ত পাহাড়ে,
কনে-দেখা হলদে আলোতে
উল্লাসিত উজ্জ্বল চেহারায়,
প্রাণ সঞ্চারণী সুরব্যঞ্জনায়,
সুন্দরীদের কোলাহলে, ভিড়ে,
খুঁজেছি শুধুই তোমাকে ।

সূর্যটা মিলিয়ে গেছে
নীল পাহাড়ের আড়ে,
লাল-কমলা দিগন্তরেখায়,
আনন্দ আধার স্নিগ্ধতায়,
প্রতিটি তরুণীর অবয়বে,
খুঁজেছি শুধুই তোমাকে ।

জোছনায় অম্লান রজনীতে
তারার মেলায়, ফানুসে,
পায়ের তলায় মেঘ-ছায়ায়,
অগ্নুৎসবের আধারী আলোয়,
প্রত্যেক ঝাপসা নারীমূর্তিতে
খুঁজেছি শুধুই তোমাকে।


{{কিংশুক২০১৮জানুয়ারি০৬শাহজাহানপুর০৩৪৯}}


ইদানিং ... (ডায়েরী)


কোনো এক ছুটির দিনে শুয়ে শুয়ে বই পড়ছিলাম। আম্মু এসে আমার রুমে বসলো। কিছু বলছে না, চুপচাপ বসে আছে। মাঝে মাঝে আম্মু এরকম করে।
আমি কিছুক্ষন বাদে জিজ্ঞাস করলাম আম্মুকে, কিছু বলবে কিনা। আম্মু বললো, এমনি এসেছে। কিন্তু কথা বলা শুরু করলো। হালকা ধরণের কথা বার্তা। হঠাৎ বেশিরভাগ কোথাই আমাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকলো। আমি যে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছি, সমানে কোর্স ড্রপ করে যাচ্ছি, সেটা কি আদৌ ঠিক হচ্ছে কিনা। সিঙ্গাপুরের কম্পেটিশনে যেতে পারিনি বলে মনে খারপ কিনা। যেই উদীয়মান গেম কোম্পানিতে (Ginduce) জয়েন করেছি সেটা কতটা যৌক্তিক (আম্মুর মতে রোবটিক্স বা সফটওয়ার নিয়ে কাজ করা বেশি ভালো। এতে দেশ দশের লাভ বেশি। গেম বানানো ঠিকঠাক, তবে ওগুলোর তুলনায় নস্যি। এই বয়সে এত আধ্যাতিক বেপার চিন্তা করলে হবে? তাই আমি তেমন মাথা ঘামাচ্ছি না)। ইদানিং কেন আমার মেজাজ খিটখিটে থাকে। যেই জামাকাপড়ের ব্যবসা (আসলে টিশার্ট প্রোডাকশন। নাম Clotheren) করছি সেটা নিয়ে কি করছি। এই রকম অসংখ্য প্রশ্ন করে যাচ্ছে। আমি অনুভূতিহীন ভাবে হু-হা-না-আচ্ছা করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ আম্মুর কথা শুনে আমি মোটামোটি ভ্যাবাচেকা খেয়ে গিয়েছিলাম। বলে, ওই মেয়েটা কেমন আছে, তোর সাথে সম্পর্ক ছিল। আমি আমতা আমতা করে বললাম জানি না, তবে ভালো থাকার কথা। আম্মু একটু হতাশ গলায় বললো কনফিউসড কেন, খোঁজ নিই না কেন। আমি শুধু বললাম, ওর বর্তমান বিরক্ত হয়। আম্মু একটু তাচ্ছিল্যের বাঁকা হাসি দিয়ে সাংসারিক আলাপ শুরু করলো। কিন্তু আমার মাথায় ঘুরতে থাকলো কিছু শব্দ আর শব্দগুচ্ছ।
'ও চলে গেছে, পড়াশোনা ছেড়ে দিলাম, কম্পেটিশন, কাজ কর্ম, স্কিল, বর্তমান ,ভবিষ্যৎ, আমি ইত্যাদি'
কেন যেন কিছুই ভালো লাগছে না। বন্ধুদের সাথে লজিক নিয়ে ঝগড়া করতে ইচ্ছা করে না। দীর্ঘ বক্তৃতাতে মন নেই। কবিতা ভালো লাগে না, বই পড়তে ইচ্ছে হয় না। ধৈর্য নাই, আকাঙ্খা নাই, মোটিভেশন নাই। ইন্সপিরেশন নাই, ঘুরতে ইচ্ছা করে না, গান শুনি না, সিরিজ দেখি না। না রোবটিক্স না কোনো ল্যাংগুয়েজ বা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, কিচ্ছু ভাল্লাগে না। কাউকে কিছু বলতেও ইচ্ছা করে না। ঘুছিয়ে বলতেও পারি না।
যদি পারতাম। সব কিছু নতুন করে শুরু করতাম। রিস্টার্ট না। বুট মেনু থেকে ফ্রেশ ওএস ইনস্টল এর মত।
ইসসস... যদি সত্যিই সম্ভব হতো।
[[কিংশুক২০১৮মার্চ৯শাহজাহানপুর,ঢাকা৩৩০]]
#ডায়েরি

অশ্রুতে ক্ষমা চাই

কাঁদিতে কাঁদিতে সুকান্তের মতো চিৎকার করে বলিতে ইচ্ছা করে,
"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে"

প্রিয় প্রেয়সী, প্রিয় সহোদরা, ও আমার প্রিয় ভগিনী,
ক্ষমা করিস মাগো তুই ক্ষমা করিস এই
প্রেমিককে, সহোদররে, ভীরু কাপুরুষ ভাইটারে ।
ও আমার গর্ভধারিনী, মাগো,
দেখেনিও, তোমার ছেলেটাও একদিন মানুষ হবে।

সেদিন উপ্রে ফেলা হবে কুৎসিত সব লোলুপ চোখগুলোকে
সেদিন পিষে ফেলা হবে বেজন্মা সব নোংরা হাটগুলোকে
সেদিন বাংলার মাটি হবে রঞ্জিত পিশাচের লাল অশুভ রক্তে

সেদিন আমার বোন, আমার কন্যা
        বেণী দোলাতে দোলাতে বাড়ি ফিরবে নির্ভয়ে
সেদিন আমার প্রিয়তমাও মিছিলে যাবে
        সেজেগুজে, কপালে লাল টিপ পরে, অসংশয়ে
সেদিন আমার বান্ধবীও পাবলিক বাসে বসবে
        মধ্যবয়সী অপরিচিত পুরুষের পাশে আয়েশে

হে ভুবনের নারী,
  হে জননী,
    হে বধুয়া,
      হে স্বসা,
সেদিন ক্ষমা করবে আমাকে?

[[কিংশুক২০১৮মার্চ৮শাহজাহানপুর,ঢাকা১৩৮]]

একদিন প্রেম হবে

চৈত্রের শেষে
 বৈকালীন বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে
আসমানী শাড়িতে
একজন  রূপবতী একদিন হয়তো আসবে―
আমার পাশে বসে
সিগারেট জ্বালিয়ে
কাঁধে হাত ফেলে
চোখে চোখ রেখে
কিন্নর কণ্ঠে জিজ্ঞাস করবে,
কেমন আছো কিংশুক?

আমাদের দুজনকে গ্রাস করবে ধোঁয়া
আর চায়ের লিকারের গাঢ় রং
আমরা হয়তো সম্পূর্ণ বিকাল পার করবো
কিন্তু সেই কাল সংক্ষিপ্ত মনে হবে খুব
পৃথিবীর সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে
এরকম শত শত বিকালে আর সন্ধ্যায়।

সবাই শঙ্কিত হবে
কিন্তু আমাদের মনে থাকবে না একবিন্দু সংশয়
কাল পাত্র স্থান বিবেচনা করা হবে না কখনো
সুমধুর স্বরে ভুবনভোলানো গান হবে
খসখসে ভাঙা কণ্ঠে উচ্চারিত হবে
প্রিয় কবিতার শব্দগুলো

দেখো,
তোমরা দেখে নিও,
একজন সুন্দরী রমণীর সাথে
যার হৃদয় পরিপূর্ণ সাহসে
সেরকম এক বুদ্ধিমতী মেয়ের সাথে
আমার প্রেম হবে।

[[২০১৮ফেব্রুয়ারি২৫শাহজাহানপুর,ঢাকা০২৫৮]]


প্রেমিক হতে গেলে – রুদ্র গোস্বামী - আবৃতিঃ কিংশুক

প্রেমিক হতে গেলে – রুদ্র গোস্বামী - আবৃতিঃ কিংশুক





ওই যে ছেলেটাকে দেখছ, পছন্দ মতো ফুল ফুটল না বলে
মাটি থেকে উপড়ে ছুঁড়ে ফেলে দিলো গাছটাকে ?
ছেলেটার ভীষণ জেদ , ও কখনও প্রেমিক হতে পারবে না ।
এই তো সেদিন কাঁচের জানালা দিয়ে রোদ ঢুকছিল বলে
কাঁচওয়ালার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে কী বকা !
কাঁচওয়ালাতো থ’ !
সাদা কাঁচে রোদ ঢুকবে না এমন আবার হয় !
ছেলেটার খুব জেদ, ও শুধু দেখে আর চেনে
বুঝতে জানে না ।
প্রেমিক হতে গেলে ঋতু বুঝতে হয়
যেমন কোন ঋতুটার বুক ভরতি বিষ
কোন ঋতুটা ভীষণ একা একা, কোন ঋতুটা প্লাবন
কোন ঋতুতে খুব কৃষ্ণচূড়া ফোটে
ছেলেটা ঋতুই জানে না
ও শুধু দেখে আর চেনে, বুঝতে জানে না ।
ছেলেটা কখনো প্রেমিক হতে পারবে না
প্রেমিক হতে গেলে গাছ হতে হয় ।
ছায়ার মতো শান্ত হতে হয় ।
বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হয় ।
জেদি মানুষেরা কখনও গাছ হতে পছন্দ করে না ।
তারা শুধু আকাশ হতে চায় ।


কবিতাঃ প্রেমিক হতে গেলে 
কবিঃ রুদ্র গোস্বামী 
বইঃ তবুও বৃষ্টি নামুক
আবৃতিঃ কিংশুক